চোখের রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে রাসূল (সা.) এর সান্তনা The consolation of the Prophet (peace be upon him) to a person suffering from an eye disease
চোখের রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে রাসূল (সা.) এর সান্তনা
(The consolation of the Prophet (peace be upon him) to a person suffering from an eye disease)
চোখ মানুষের একটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ। যা মানব দেহের একটা মূল্যবান সম্পদ। আর চোখ মহান আল্লাহর একটা মহামূল্যবান নিয়ামত।আর সঠিক নিয়মে চোখের যত্ন নেওয়া আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ । আমাদের রাসূল (সা.) নিজেও চোখের যত্ন নিতেন। আমাদের রাসূল (সা.) প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে চোখ পরিষ্কার রাখার জন্য একটি বিশেষ রকমের সুরমা চোখে দিতেন। আমাদের রাসূল (সা.) বলেন তোমরা ইছমিদ নামক সুরমা ব্যবহার করো। তার কারণ হলো তা চোখ পরিষ্কার ও চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে এবং অনেক ভ্রু সৃষ্টি করে (নতুন ভ্রু হয়)। আমাদের রাসূল (সা.) এর একটি সুরমা রাখার পাত্র ছিল।তিনি ঘুমানোর আগে প্রত্যেক রাতে দুই চোখে তিনবার করে সুরমা দিতেন। যা হাদিস দারা প্রামানিত।
চলতি সময়ে সারা বিশ্বে চোখের বিভিন্ন সমস্যা দেখা যাচ্ছে। যার মধ্যে কনজাংকটিভা বা চোখের প্রদাহ বেশি দেখা যায় । এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সব বয়সী মানুষ। যার মধ্যে শিশুদের আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের সরনাপন্য হওয়া আবশ্যক।
এই রোগটি আক্রান্ত ব্যাক্তি অনেক কষ্ট দেয়।, অতএব এই রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার পাশাপাশি আল্লাহর কাছে ধৈর্যসহকারে সুস্থতা পাওয়ার আশা করা।
এক সাহাবীর থেকে বর্নিত যে,
এক সাহাবির চক্ষুরোগ হলো, তখন তাকে রাসূল (সা.) দেখতে এলেন এবং তিনি তাকে লক্ষ্য করে বলেন, আপনার যদি তোমার চোখের রোগ এভাবে থাকে তখন আপনি কী করবেন?তখন সেই সাহাবী বল্লো ধৈর্য্যধারন করব এবং সাওয়াবের আসা করব।
এক হাদিসে বর্নিত আছে,
রাসূল (সা.)-বলেন যে আল্লাহ তাআলা (শেষ বিচারের দিন) বলবেন, যখন আমি আমার বান্দাকে তার প্রিয় বস্তু(চোখ) দুটির রোগ দিয়ে পরীক্ষা করেছি, আর তাখন সে ধৈর্যধারণ করেছে, তার জন্য আজ আমি তাকে জান্নাত দিয়ে দিলাম।
সর্বোপরি চোখের রোগে আক্রান্ত হলে তারাতাড়ি চিকিৎসা নেয়া এবং ক্ষনিকের কষ্টে ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও সাহায্য চাই ও আল্লাহ তাআলা যেন সুস্থতা দান করে এবং জান্নাতের দান করে।। (আমিন)